Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: নভেম্বর 26, 2017

ড. হুসনা পারভীন নূর


প্রকাশন তারিখ : 9-07-17 6:44 পূর্বাহ্ন

Last updated on নভেম্বর 26th, 2017 at 04:51 অপরাহ্ন

ড. হুসনা পারভীন নূর

পরিচালক

ড. হুসনা পারভীন নূর  ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাস হতে অদ্যাবধি বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণাগার রাজশাহীর পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি ২০১০ সালে সর্বপ্রথম বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণাগার, রাজশাহীর পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তৎপরবর্তীতে পরিষদের (বিসিএসআইআর) পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ,ইন্সটিটিউট অব গ্লাস এন্ড সিরামিক রিসার্চ এন্ড টেস্টিং  এবং ২০১৪ হতে ২০১৬ পর্যন্ত  বিসিএইএইআর গবেষণাগার, ঢাকা এর পরিচালকের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।  ড. হুসনা পারভীন নূরের জন্ম ১৯৫৫ সালে, বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে ১৯৭৭ সালে বিএসসি অনার্স এবং ১৯৭৯ সালে জৈব রসায়নে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন । ১৯৮০ সালে বিসিএসআইআর ল্যাবরেটরিতে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন । একই সঙ্গে অধ্যাপক এম টি রহমানের তত্ত্বাবধানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে ‘অরগানমেটালিক কম্পাউন্ড’-এর ওপর পিএইচডি গবেষণা চালিয়ে যান। ১৯৯৪ সালে পিএইচডি লাভ করেন তিনি।  পিএইচডি এর গবেষণা কর্মের কিছু কাজ করার জন্য তিনি ১৯৮৭ সালে ১০ মাস কালীন একটি ফেলোশীপ(IPICS) লাভ করেন । সুইডেনের গথেনবার্গ শহরের চালমাস ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিতে উচ্চতর ও আধুনিক গবেষণার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন । এছাড়া তিনি  দেশে -বিদেশে রসায়নের বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এবং অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালায়। যোগদান হতে অদ্যাবধি  তিনি ফাইবার ও পলিমারের ওপর সক্রিয়ভাবে গবেষণা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং তাঁর উল্লেখযোগ্য গবেষণা প্রবন্ধ দেশি-বিদেশী বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে ।  তিনি বেশ কিছু প্রসেস উদ্ভাবন করেছেন যা বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়েছে ।তিনি দেশে উৎপাদিত হলুদ হতে কারকিউমিন পিগমেন্ট প্রস্তুতির পেটেন্ট নিয়েছেন যা আধুনিক বিশ্বে ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।  এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্লাস্টিক, পেইন্ট, রাবার, টেক্সটাইল, ডাইস ও পিগমেন্টসের মান নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজও করেছেন। এছাড়াও তাঁর অধীনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী মাস্টার্স ও পিএইচডি গবেষণা কর্মকান্ড করেছেন এবং এখনও করছেন । তিনি “ইন্টারন্যাশনাল  ইয়ার অব কেমিস্ট্রি -২০১১”-এর উপলক্ষে বাংলাদেশ কেমিক্যাল সোসাইটি থেকে রসায়নে অবদানের জন্য দশ বছরের মধ্যে একজন নারী বিজ্ঞানী হিসেবে পুরস্কার প্রাপ্ত হন । তিনি বাংলাদেশ রসায়ন সমিতি এবং রোটারী ইন্টারন্যাশনালসহ  বেশ কিছু পেশাজীবী সমিতির আজীবন সদস্য।


Share with :
Facebook Twitter